কলা

Spread the love

কলা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল যা সারা বছর পাওয়া যায়। কলাকে প্রাচীন সাহিত্যে কদলি বলা হতো।

কলার আদি নিবাস দক্ষিণ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায়, যেখান থেকে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দ নাগাদ ভারতে আসে এবং পরবর্তী সময়ে উষ্ণমন্ডলীয় বিভিন্ন দেশে বিস্তার লাভ করে। এমনকি খ্রিস্টপূর্ব ২০০-৩০০ অব্দে প্রশান্ত মহাসাগরের কতিপয় দ্বীপে এবং আফ্রিকার পশ্চিম উপকূল ভাগ এলাকায় কলা বিস্তার লাভ করেছিল বলে ধারণা করা হয়।

কলার বৈজ্ঞানিক নাম Musa acuminata। কলা Musaceae গোত্রের Musa গণের কতিপয় প্রজাতির জন্য ব্যবহূত সাধারণ নাম। অপ্রকৃত নরম কান্ডবিশিষ্ট এ গাছ গুল্মজাতীয় উদ্ভিদের (herbaceous plants) মধ্যে বেশ লম্বা। বৃক্ষের মতো দেখতে এর নরম কান্ড পাতার গোড়ার অংশ নিয়ে গঠিত। গুড়িকন্দ (rhizome) থেকে বৃত্তাকারে কান্ডবেষ্টিত অবস্থায় পাতা গজায়। কলাগাছের পাতা একক, সরল, বেশ বড় আকারের এবং প্রশস্ত। মধ্যশিরা সুস্পষ্ট। পাতা দৈর্ঘ্যে ৩৬৫ সেমি এবং প্রস্থে ৬১ সেমি পর্যন্ত হতে পারে। প্রতিটি কলাগাছ একটি মাত্র পুষ্পমঞ্জরি উৎপাদন করে। মঞ্জরিদন্ড মাংসল, উজ্জ্বল বর্ণের নৌকা আকৃতির একাধিক খাপযুক্ত। পুষ্পমঞ্জরির নিচের অংশে স্ত্রী ফুল এবং উপরের অংশে পুরুষ ফুল থাকে। এক সময় নিচের দিকে নোয়ানো পুষ্পমঞ্জরি কলার কাঁদিতে রূপলাভ করে।

প্রতিটি কাঁদিতে থাকে পাঁচ থেকে ১৫টি গুচ্ছ এবং প্রতিটি গুচ্ছে থাকতে পারে ৬-২০টি একক লম্বাটে ফল। অনেক সময় পাশাপাশি দুটি ফল আংশিক একীভূত অবস্থায় দেখা যায়। কোনো কোনো জাতের কলায় কিছু সংখ্যক ছোট ছোট কালো রঙের বীজ থাকে। ফল পাকার পর গাছ মারা যায় এবং কেটে ফেলা হয়। গাছের গোড়া থেকে আবার নতুন গাছ জন্মায়।

কলার ব্যাপ্তি

পৃথিবীর নানা দেশে প্রায় ৩০০ জাতের কলা জন্মে, এর সিংহভাগ উৎপাদিত হয় এশিয়ার গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশসমূহে। তবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াই কলার উৎপত্তিস্থল হিসাবে পরিগণিত। বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বহু দেশে কলা অন্যতম প্রধান ফল। বাংলাদেশের নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ, ময়মনসিংহ, যশোর, বরিশাল, বগুড়া, রংপুর, জয়পুরহাট, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর, প্রভৃতি এলাকায় শত শত বৎসর যাবৎ ব্যাপকভাবে কলার চাষ হয়ে আসছে। বাংলাদেশে কলা চাষের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল সারা বছর এ দেশের প্রায় সব অঞ্চলের উঁচু জমিতেই এর চাষ করা যায়। পার্বত্য এলাকায় বনকলা, বাংলাকলা, মামা কলাসহ বিভিন্ন ধরনের বুনোজাতের কলা চাষ হয়।।

কলাগাছ, কলাপাতা, কলাগাছের শিকড় ও কলা সবই উপকারী। কলাগাছ ও কলাপাতা শুধুমাত্র পশু খাদ্য নয়। এদের আছে আশ্চার্যজনক ভেষজ গুণ। রোগ নিরাময়ে অদ্বিতীয়।

প্রকারভেদ

খাওয়ার দিক থেকে কলার জাত চার ধরনের। যথা:

সম্পূর্ণ বীজমুক্ত কলা। যেমন: সবরি, অমৃত সাগর, কগ্নিশ্বর, দুধসর, দুধ সাগর প্রভৃতি।
দুই-একটি বীজযুক্ত কলা। যেমন: চম্পা, চিনি চম্পা, কবরি, চন্দন কবরি, জাব কাঁঠালি ইত্যাদি।
বীজযুক্ত কলা। যেমন: এঁটে কলা, বতুর, আইটা, গোমা, সাঙ্গি ইত্যাদি।
কাঁচাকলা। যেমন: আনাজি কলা, ভেড়ার ভোগ, চোয়াল পউশ,বর ভাগনে, বেহুলা, মন্দিরা ও বিয়ের বাতি ইত্যাদি।

কলা চাষ

বাণিজ্যিক ভিত্তিতে যেসব জাতের আবাদ হচ্ছে তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য জাতগুলো হচ্ছে বারিকলা-১ ও বারিকলা-২ (আনাজিকলা), অমৃতসাগর, সবরি, চম্পা, কবরি, মেহেরসাগর, বীচিকলা অন্যতম।

মাটি : পর্যাপ্ত রোদযুক্ত ও পানি নিকাশের সুবিধাযুক্ত উঁচু জমি কলা চাষের জন্য উপযুক্ত। উর্বর দো-আঁশ মাটি কলা চাষের জন্য উত্তম। চাষ ও মই দিয়ে জমি সমতল ও আগাছামুক্ত করে নিতে হবে।

চারা রোপণ : কলার চারা বছরে ৩ সময়ে রোপণ করা যায়। ১ম রোপণ কাল : আশ্বিন-কার্তিক সবচেয়ে ভালো সময়। ২য় রোপণ কাল : মাঘ-ফাল্গুন ভালো সময়। ৩য় রোপণ কাল : চৈত্র-বৈশাখ মোটামুটি ভালো সময়।

চারার দূরত্ব : সারি থেকে সারির দূরত্ব ২ মিটার এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ২ মিটার।

গর্ত তৈরি : চারা রোপণের মাসখানেক আগেই গর্ত খনন করতে হবে। গর্তের আকার হবে ৬০ সেমি. চওড়া ও ৬০ সেমি. গভীর। গর্ত তৈরি হয়ে গেলে গোবর ও টিএসপি সার মাটির সাথে মিশিয়ে গর্ত ভরে রাখতে হবে।

চারা রোপণ : রোপণের জন্য অসি তেউড় উত্তম। অসি তেউরের পাতা সরু, সুঁচালো এবং অনেকটা তলোয়ারের মতো, গুড়ি বড় ও শক্তিশালী এবং কা- ক্রমশ গোড়া থেকে ওপরের দিকে সরু হয়। তিন মাস বয়স্ক সুস্থ সবল তেউড় রোগমুক্ত গাছ থেকে সংগ্রহ করতে হয়।

সার ও সার প্রয়োগ পদ্ধতি

অর্ধেক গোবর জমি তৈরির সময় এবং অবশিষ্ট অর্ধেক গর্তে দিতে হবে। অর্ধেক টিএসপি একই সঙ্গে গর্তে প্রয়োগ করতে হবে। রোপণের দেড় থেকে দুই মাস পর ৪ ভাগের ১ ভাগ ইউরিয়া, অর্ধেক এমপি ও বাকি টিএসপি জমিতে ছিটিয়ে ভালোভাবে কুপিয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে। এর দুই থেকে আড়াই মাস পর গাছ প্রতি বাকি অর্ধেক এমপি ও অর্ধেক ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হবে। মোচা বের হওয়ার সময় অবশিষ্ট ৪ ভাগের ১ ভাগ ইউরিয়া জমিতে ছিটিয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে।

কলা গাছের পরিচর্যা :

রোগবালাই কলাগাছ ও ফল উভয়েই কিছু রোগে আক্রান্ত হয়। উল্লেখযোগ্য রোগগুলির মধ্যে রয়েছে পানামা উইল্ট, বানচি টপ, লিফ স্পট, ব্ল্যাক লিফ স্ট্রিক, ব্যাকটেরিয়াল উইল্ট, অ্যানথ্রাকনোজ এবং ব্ল্যাক হেড।

Fusarium oxysporum ছত্রাক পানামা উইল্ট রোগের জন্য দায়ী। এটি কেবল বাংলাদেশে নয়, পৃথিবীর সব কলা চাষ এলাকার ধ্বংসাত্বক এক রোগ। মাটির মাধ্যমে মূলের ভিতর দিয়ে এ রোগজীবাণু গাছে প্রবেশ করে। এক ধরনের নিমাটোডের (Rhadopholus similis) আক্রমণ এ রোগ ছড়াতে সহায়তা করে বলে জানা গেছে। আক্রান্ত গাছের পাতা ক্রমে শুকিয়ে হলদে হয়ে যায় এবং পাতা নেতিয়ে পড়ে।

বানচি টপ ভাইরাসঘটিত এক রোগ, এ উপমহাদেশের সর্বত্র বিস্তৃত এবং যে কোনো বয়সের কলা গাছ এতে আক্রান্ত হতে পারে। Pentalonia nigronervosa নামের জাবপোকা এ রোগের বাহক। আক্রান্ত গাছে কান্ডের ভেতর দিকে ধূসর সবুজ রঙের ডোরা দাগ তৈরি হয়। কখনও কখনও এ রোগের পাশাপাশি ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার সহযোগে মূলে পচন ধরে।

Pseudomonas solanacearum ব্যাকটেরিয়া উইল্ট রোগের কারণ। রোগের লক্ষণ পানামা উইল্ট রোগের অনুরূপ। অ্যানথ্রাকনোজ মূলত ফলের রোগ, Colletotrichum musae নামের এক ছত্রাক এ রোগের জীবাণু। ফল পাকার সময় হলে ছত্রাকের আক্রমণ শুরু হয় এবং পাকা ফলের উপরিভাগে বৈশিষ্ট্যময় ক্ষতের সৃষ্টি করে।

বেশ কয়েক প্রজাতির কীটপতঙ্গ কলাগাছ ও ফলের ক্ষতি করে। বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতিকর পোকার মধ্যে রয়েছে পাতা ও ফলের বিটল, Nodostoma viridipennis, কান্ডের উইভিল, Cosmopolites sordius এবং কান্ডের মাজরাপোকা, Odioporus longicollis। পাতা ও ফলের বিটল সাধারণত পাতার অঙ্কীয়ভাগের সবুজ অংশ খেয়ে অনিয়মিত দাগের সৃষ্টি করে। ফলের উপর সৃষ্ট দাগ ফল বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বড় হয়। এতে কলার গুণগত মান ব্যাহত হয় এবং বাজারজাত পণ্যের কাঙ্ক্ষিত মূল্য পাওয়া যায় না। কান্ডের মাজরা পোকা দ্বারা বেশি আক্রান্ত কচি কলাগাছ অনেক সময় মারা যায়; বড় গাছ বেঁচে থাকলেও বৃদ্ধির মাত্রা বহুলাংশে কমে যায়।


ফসল সংগ্রহ :

কলার চারা রোপণের ১১-১৫ মাসের মধ্যেই সাধারণত সব জাতের কলা পাকার উপযুক্ত হয়। প্রতি হেক্টরে ১২-১৫ টন কলার ফলন পাওয়া যাবে।

কলার পুষ্টিগুণ

কলার পুষ্টিগুণ প্রচুর। কলা উপাদেয় খাদ্য। কাঁচা পাকা দুই অবস্থায়ই খাওয়া যায়। কলায় রয়েছে জলীয় অংশ ৭০ গ্রাম, আঁশ ০.৫ গ্রাম, খাদ্য শক্তি (কিলোক্যালরি) ১০৯, আমিষ ০.৭ গ্রাম, চর্বি ০.৮ গ্রাম, শর্করা ২৫.০ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১১.০ মিলিগ্রাম, লৌহ ০.৯ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ২৪ মিলিগ্রাম। নারিকেল ছাড়া আর কোনো খাদ্যেই কলার মতো খাদ্যশক্তি নেই। তাই যে কোনো সময় পরিশ্রান্তে অথবা শক্তিক্ষয়জনিত অবস্থায় কলা আহার করলে শরীর পুনরায় কর্মক্ষম হয়ে উঠবে। নারিকেলে ৩৫.৫৭ গ্রাম চর্বি থাকে। যদিও নারিকেলের শর্করা মাত্র ১০.২২ গ্রাম। নারিকেলে খাদ্য শক্তি ৩৭৬ কিলোক্যালরি। যা প্রচলিত ফলের মধ্যে সর্বোচ্চ। দৈনিক খাদ্য তালিকায় সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিনের খাবারে অন্তত ৬০ গ্রাম ফলাদি থাকা বাঞ্ছনীয়। এ ক্ষেত্রে খাবারে আপনার পছন্দের যে কোনো কলা থাকতে পারে।

কলার থোর: আহার উপযোগী ১০০ গ্রাম পরিমাণ কলার মোচায়: আমিষ-০.৫ গ্রাম, শ্বেতসার-৯.৭ গ্রাম, খনিজ লবন-০.৬ গ্রাম, ভিটামিন বি১-০.০২ মি.গ্রাম, ভিটামিন বি২- ০.০১ মি.গ্রাম, ভিটামিন সি-৭ মি.গ্রাম, ক্যালসিয়াম-১০ মি.গ্রাম, লৌহ-১.১ মি.গ্রাম এবং শক্তি -৪২ কিলো-ক্যালোরী রয়েছে।

কলাপাতার ব্যবহার

কলাগাছের সবুজ পাতার রস, মোচা, থোড় সবই প্রয়োজনীয়। সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, কোষ্ঠবদ্ধতা, আমাশয়, রক্তদুষ্টি, অম্লগ্যাস, উচ্চরক্তচাপ, লিভারের দোষ হলে কলাপাতার রস উপকারী। ইউরোপ ও অন্যান্য উন্নত দেশে কলাপাতার সাহায্যে বহু রোগের চিকিৎসা করা হয়। ফরাসি ডাক্তাররা শোথ, যক্ষ্মা;, আন্ত্রিক, আমাশয় ও অতিসারে কলাপাতার রস খেতে বলেন।

না-কচি, না-শক্ত বিবর্ণ পাতা অর্থাৎ সবুজ পাতা বেটে বা থেঁথলে ছেঁকে সকালের দিকে আধা কাপ খেতে হবে। নুন, চিনি ইত্যাদি মিশিয়ে খাওয়া চলবে না। কলাপতায় থাকে ক্লোরোফিল। ক্লোরোফিল পেটে গেলে অন্ত্রের ঘা, লিউকোমিয়া, চর্মরোগ হয় না। কলাপাতার সবুজ রস রক্ত পরিষ্কার করে।

শরীরের কোথাও ক্ষত, চর্মরোগ হলে কলাপাতার রস ঘষে লাগালে উপকার হয়। ব্রঙ্কাইটিস, নেফ্রাইটিস, রক্তক্ষরণ, জমা সর্দিতে কলাপাতার রস খুবই কার্যকরী। প্লুরিশি, কাশি, ক্ষয়রোগ ও থুথুর সঙ্গে রক্ত পড়লে সবুজ কলাপাতার রস প্রতিদিন ভোরে আধাকাপ পরিমাণ খেলে ভীষণ উপকার হবে। কচি কলাপাতা বেটে প্রলেপ দিলে কীট দংশন, হুল ফোটা, কাটায় উপকার হবে।

সর্বপ্রকার দাঁতের ব্যথায় ‘প্ল্যান্টাগো’ (যা কলাপতা থেকে তৈরি হয়) হোমিওপ্যাথিক ডাক্তাররা সুনামের সঙ্গে ব্যবহার করে আসছেন। প্যান্টাগোর মাদার তুলার দ্বারা দাঁতের গোড়ায় বাহ্যিক ব্যবহারে দাঁত ব্যথা আরোগ্য হয়। দন্তশূল, কর্ণশূল, কাটা, পোড়া, আঘাতাদি, সর্পদংশন, ইরিসিপেলাস ইত্যাদি নানাবিধ রোগে প্যান্টাগো সার্থকভাবে ব্যবহৃত হয়। গলগ-, ফুলে উঠা, জ্বর, শিরপীড়া সারাতে প্যান্টাগো ব্যবহৃত হয়।

কলাগাছের মাঝের গোল অর্থাৎ খুলে যায়নি, সেই পাতাকে থেঁতো করতে হবে। রস নিংড়ে নিয়ে একটু গরম করতে হবে। ওই রস ২ ফোঁটা একবার কানে দিলেই বেদনা কমে যাবে। প্রয়োজনে আবার দিতে হবে।

অন্যান্য

কলা থেকে উৎপন্ন রস অতি পুষ্টিকর ও উপাদেয়। অনেক দেশে পাকা ফল থেকে মদ, বিয়ার, সিরকা ইত্যাদি তৈরি করা হয়। পাকা কলার শুকনা গুঁড়া শিশুখাদ্য হিসেবে এবং চকলেট, বিস্কুট ও চিপ্স তৈরির এক উপাদান হিসেবে ব্যবহূত হয়। কলা গাছের ছোবড়ার ছাই পটাসিয়ামসমৃদ্ধ, তাই সাবান তৈরীতে এর ব্যবহার রয়েছে। কলার খোসায় এবং পাকা কলায় ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ারোধী দ্রব্য রয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়।

তথ্যসূত্র
pepeelika.com
Banana Nutrition Facts
এগ্রোবাংলাডটকম-এর প্রতিবেদন
কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম, বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ (http://www.ais.gov.bd)
ubinig.org
মোঃ মাহফুজুর রহমান এবং এস.এম হুমায়ুন কবির (বাংলাপিডিয়া)

আপনার মতমত দিন

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *